ভবিষ্যত পরিকল্পনা

জামিয়ার নির্মাণ পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয়তা

জামিয়ার বিভাগভিত্তিক ছাত্রদের শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা ও আবাসিক ছাত্রদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় শুরু থেকেই ভরাটহীন জায়গা ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিছু দ্বীন-দরদী ভাইয়ের সার্বিক সহযোগিতায় ভরাট সমাপ্ত করে সেমি পাকা গৃহ নির্মাণ সমাপ্ত করা হয়। জেনে খুশি হবেন, ইতোমধ্যে জামিয়ার লেখা-পড়ার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ায় দিন দিন ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কারণে শ্রেণিকক্ষের অভাব ও আবাসিক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। তাই মাদরাসার নতুন ক্রয়কৃত পাঁচ কাঠা ভরাট করে স্থায়ী বিল্ডিং নির্মাণ এর প্লান সমাপ্ত হয়েছে। অচিরেই কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। সে লক্ষ্যে দানশীল ভাইদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমাদের আশা ও পরিকল্পনা, রাজধানী ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এ জামিয়াকে ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ইসলামী বিদ্যাপীঠরূপে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজন, পার্শ্ববর্তী আরও জায়গা খরিদ করে মাদরাসার পরিধি বাড়ানো এবং পর্যায়ক্রমে ভবিষ্যতে বহুতল ভবন। এ দিকেও দানশীল ভাইদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি।

এক নজরে জামিয়ার ভবিষ্যত পরিকল্পনা

পূর্ণাঙ্গ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নানামুখী কর্মপরিকল্পনা অপরিহার্য। তাই এ জামিয়াকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নীচে জামিয়ার ভবিষ্যত পরিকল্পনাগুলো সংক্ষিপ্তাকারে পেশ করা হল।

বর্তমান অবস্থায় জামিয়ার একান্ত প্রয়োজন

* জামিয়ার ক্রয়কৃত জায়গার মূল্য পরিশোধকল্পে ঋণকৃত ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকার ব্যবস্থা করা।

* জামিয়ার ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পার্শ্ববর্তী খালি জায়গা ক্রয় করে আওতাভুক্ত করা।
* জামিয়ার শ্রেণিকক্ষের অত্যন্ত অভাব। তাই ক্রয়কৃত খালি জায়গায় ভবন নির্মাণ করে সুষ্ঠু পাঠদানের পরিবেশ তৈরী করা।
এ ব্যাপারে দানশীল ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

জামিয়ার উন্নয়ন ও সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে নিম্নবর্ণিত কয়েকটি দাতা কমিটি গঠন বাস্তবায়নাধীন আছে-

১. ‘খুলাফায়ে রাশেদীন’ তথা ইসলামের চার খলীফার সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আজীবন মাসিক ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা) দানের চার সদস্য বিশিষ্ট ‘খুলাফায়ে রাশেদা কমিটি’। যা এখনও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এ দিকে দানশীল ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

২.‘আশারায়ে মোবাশ্শারা’ তথা দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীর সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আজীবন মাসিক ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার টাকা) দানের দশ সদস্য বিশিষ্ট ‘আশারায়ে মোবাশ্শারা কমিটি’। ইতিপূর্বে যার তিন সদস্য পূর্ণ হয়েছে। বাকি সদস্য পূরণে দানশীল ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

৩.‘আসহাবে বদরিয়্যীন’ তথা ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বিশেষ ফযীলতের অধিকারী তিন শত তেরো জন সাহাবীর স্মরণে আজীবন মাসিক ১০০/- (এক শত টাকা) দানের তিন শত তেরো সদস্য বিশিষ্ট ‘বদর কমিটি’। এখন পর্যন্ত যার ১৫০ জন পূর্ণ হয়েছে। বাকি সদস্য পূরণে দানশীল ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। উক্ত কমিটিতে একজনের একাধিক নাম নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি, দানশীলগণের সকল দান ও মেহনত কবুল করে দানকারী ও তাঁদের পরিবারের হিদায়াত ও নাজাতের উসিলা করেন। আমীন।